বাংলাদেশ, বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬ ২৮শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মন্তব্যে ব্যাংকিং খাতের আস্থা ধ্বংস করবে : সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা


প্রকাশের সময় :১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ৬:৩৫ : অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের উপর আরোপিত হেয়ারকাট সিদ্ধান্তকে ‘চরম অন্যায়’ আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তারা এমন অপমানজনক মন্তব্য ব্যাংকিং খাতের আস্থা ধ্বংস করবে মন্তব্য করে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পক্ষ থেকে আমানতকারীদের ‘দুষ্কৃতিকারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার ( ১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন বাংলাদেশ ভুক্তভোগী ব্যাংক আমানতকারী এসোসিয়েশন। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর হোসেন।

এসময় তিনি বলেন, গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা প্রজ্ঞাপনটি আমানতকারীদের সঙ্গে ব্যাংকের লিখিত ও অলিখিত চুক্তির সরাসরি লঙ্ঘন। ২০২৪ ও ২০২৫ সালের আমানতের বিপরীতে মাত্র ৪ শতাংশ মুনাফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত পশ্চাৎমুখী এবং অধিকারহরণকারী। ব্যাংকিংয়ের মূল ভিত্তি বিশ্বাস সিদ্ধান্ত তা ধ্বংস করছে।
বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই হেয়ারকাট সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সমস্যা নয়, বরং পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্য বিপদজনক সংকেত। আজ একটি ব্যাংকে হলে কাল অন্য ব্যাংকে চাপিয়ে দেওয়া হবে। এতে আস্থার সংকট তৈরি হয়ে ব্যাংকিং ব্যবস্থা ধসে পড়বে, যোগ করেন তারা। শরিয়াহ মানদণ্ডের (শরিয়াহ স্ট্যান্ডার্ড নং-১৩, মুদারাবাহ ৪/৪) উদ্ধৃতি দিয়ে তারা জানান, ব্যাংকের অবহেলা, অসতর্কতা বা দুর্নীতির কারণে লোকসান হলে তার দায় আমানতকারীদের উপর চাপানো যাবে না এটি সম্পূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। হেয়ারকাট আরোপ সম্পূর্ণ শরিয়াবিরোধী এবং মানবতাবিরোধী।

ট্যাগ :