মোস্টবেট বাংলাদেশের সেরা বুকমেকার। স্পোর্টস বেটিং, অনলাইন ক্যাসিনো সকলের জন্য সীমাবদ্ধতা ছাড়াই উপলব্ধ, এবং একটি ব্যাঙ্ক কার্ডে Mostbet withdrawal সম্ভব!
Türkiye'nin en iyi bahis şirketi Mostbet'tir: https://mostbet.info.tr/

বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৪ ১৩ই বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দর তহবিলের ১ শতাংশ অর্থ নগর উন্নয়নে বরাদ্ধ! প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ সুজনের


প্রকাশের সময় :৬ এপ্রিল, ২০২১ ৩:৩৪ : পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল থেকে ১ শতাংশ অর্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে নগরীর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য বরাদ্দ প্রদানের চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন করেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ সোমবার (৫ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০২১ এর চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

চট্টগ্রাম নগর উন্নয়নে এ প্রাপ্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও মন্ত্রী পরিষদকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক এবং চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন।

সোমবার (৫ এপ্রিল) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান। অভিনন্দন বার্তায় উল্লেখ করেন, অভিনন্দন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। সেই সাথে অভিবাদন জানাই মাননীয় মন্ত্রী পরিষদকে।

যেখানে উল্লেখ আছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের একটি নিজস্ব তহবিল থাকবে। তার ১ শতাংশ অর্থ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পাবে নগরীর বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডের জন্য।

উল্লেখ্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক থাকাকালীন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের আয় থেকে একটি অংশ নগরীর উন্নয়নে সিটি কর্পোরেশনকে বরাদ্দ প্রদানের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছিলাম এবং এ লক্ষ্যে মাননীয় নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর সাথেও ফলপ্রসূ আলোচনা করেছিলাম।

আজ মন্ত্রীসভার বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আইন ২০২১ এর চূড়ান্ত খসড়া অনুমোদন নিঃসন্দেহে চট্টগ্রামবাসীর জন্য এক বিরাট অর্জন। আমরা আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এ আইনটি চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে।

এর ফলে চট্টগ্রাম শহর সরকারী সহযোগিতা ছাড়াই উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালিত করতে পারবে। আর এভাবে স্থানীয় সরকারসমূহ স্বাবলম্বী হলে উন্নয়ন কর্মকান্ড ত্বরান্বিত হবে। আশা করি কাস্টমস এবং ইপিজেডসমূহের বিষয়েও সরকার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

ট্যাগ :