![]()
এম.এইচ মুরাদঃ
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, কোনো বৈশ্বিক মহাবিপর্যয় সরকার বা সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে শতভাগ মোকাবেলা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এই সংকট মোকাবেলায় সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সামাজিক শক্তি ও বিত্তবান শ্রেনীর সক্ষম ব্যক্তিদের নিবেদিত হতে হবে। তাহলেই সমবেত প্রচেষ্টায় এই সংকট মোকাবেলা সম্ভব হবে। এবং আমরা আবার মাথা উঁচু করে অবশ্যই দাঁড়াতে পারবো।
তিনি আরো বলেন, সরকার বা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিগত পর্যায় থেকে প্রদত্ত ত্রাণ যেন প্রকৃত উপকারভোগী মানুষের ঘরে ঘরে পৌছে যায় সেই দায়িত্ব আমাদেরকে অব্যশই পালন করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষনা করেছেন ত্রাণ সামগ্রী পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তাই কারো অভুক্ত থাকার কোনো কারণ নেই।
তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ নিয়ে কোন নয়-ছয় বর্দাস্ত করা হবে না। যারা ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে জোরচুরি করবে তাদের পরিচয় যা-ই হোক না কেন তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে।
তিনি আজ ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ডে কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম এর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৫শ পরিবারের মধ্যে প্রদত্ত ভোগ্যপন্য বিতরণ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ৫ শত পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী প্রদানের জন্য কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যার যার সামর্থানুযায়ী ব্যক্তিগত তহবিল থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকলে কেউ অভুক্ত থাকবেন না। তাই মনে রাখতে হবে একজন প্রতিবেশি যদি অভুক্ত থাকে তাহলে আমাদের রোজা এবাদত ও প্রার্থনা কখনো আল্লাহ কবুল করবেন না।
কাউন্সিলর জহুরুল আলম জসিম বলেন, করোনা দূর্যোগের শুরু থেকে আমি আমার ওয়ার্ডের অসহায়, কর্মহীন মানুষের পাশে থেকে তাদের মাঝে কয়েক ভাগে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী এবং আমার নিজের তরফ থেকে উপহার সামগ্রী বিতরণ করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় আজকেও আমার নিজস্ব অর্থায়নে ৫০০ পরিবারকে উপহার সামগ্রী বিতরণ করছি। আমার আশা আছে করোনা সংকট শেষ না হওয়া পর্যন্ত সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগও এই সহযোগীতা অব্যাহত রাখব ইনশাআল্লাহ।
এসময় চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নোমান আল মাহমুদ, জসিম উদ্দীন, ইলিয়াছ খান, মোস্তফা কামাল বাবু, জাহাঙ্গীর কবির নয়ন প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।