![]()
স্টাফ রিপোর্টার:
‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়তে নির্বাচনী ইশতেহারে ১০ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে পাঁচটি ‘হ্যাঁ’ এবং পাঁচটি ‘না’ রয়েছে। ‘হ্যাঁ’-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা ও কর্মসংস্থান। ‘না’-এর মধ্যে আছে- দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব ও চাঁদাবাজি।
ইশতেহারে মোট ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নারীর জন্য নিরাপদ কর্মস্থল, মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী সদস্য অন্তর্ভূক্তি।
বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্যে বলেন, আমরা রাজনীতিতে বলি ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু ৫৪ বছরে সেই স্লোগানের স্বাক্ষর কি দিতে পেরেছি। বৈষম্য ৫৪ বছর আগেও ছিল।
জামায়াত আমির আরও বলেন, ৪৭ না হলে ৭১ হতো না, ৭১ না হলে ২৪ পেতাম না। একটি অপরটির সঙ্গে সম্পর্কিত। ইশতেহার কেবল দলীয় কর্মসূচি না, বরং জাতির প্রতি দলের পরিকল্পনা; এটি একটি জীবন্ত দলিল।
জনগণের মতামতে ইশতেহারে প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে জামায়াত আমির বলেছেন, আমাদের ইশতেহারে আমরা জনগণের আকাঙ্ক্ষা, পরামর্শ চেয়েছি।
ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে জামায়াত জোটের নেতারা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা যোগ দেন। এই নির্বাচনী ইশতেহারের নাম দেওয়া হয়েছে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’। ‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের প্রতিশ্রুতিসহ ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন এবং নারীর ক্ষমতায়ন ও যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে ইশতেহারে।
ইশতেহার প্রণয়নে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন পেশার ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞের সমন্বয় তৈরি করা জনগণের মতামতকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জামায়াতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।