এস.এম. মাঈন উদ্দীন রুবেল
বাংলার জমিনে ত্বরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়ার প্রতিষ্ঠাতা পূর্বাঞ্চলে বিকশিত আওলাদে রাসূল (সাঃ) হুজুর গাউছুল আজম হযরত শাহসূফী ছৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) এর বাগানের সর্বশ্রেষ্ঠ গোলাপ ফুল মাইজভান্ডারী ত্বরিকার পরিপূর্ণতা দানকারী, ইউছুফে ছানী, জামালে মোস্তফা, মাজহারে নূরে খোদা হুজুর গাউছুল আজম শাহে-দো-আলম হযরত শাহসূফী ছৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী প্রকাশ বাবা ভাণ্ডারী কেবলা কাবার ওরশ শরীফ প্রতি বছর ৫ই এপ্রিল ২২শে চৈত্র অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই মহান জাতে পাক সম্পর্কে সংক্ষেপে কিছু কথা তুলে ধরার ধরলাম-
মাইজভাণ্ডার শরীফের দ্বিতীয় প্রাণ পুরুষ মওলায়ে রহমান, গাউছে রহমান, দয়াল বাবাভাণ্ডারী যার ধরাধামে আগমনের পূর্বে হযরত গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) হযরত বাবা ভান্ডারীর আম্মাজানকে একটা কালাম করেছিলেন। একদা হযরত কেবলা উনার কিছু ভক্ত মুরিদান নিয়ে তার আন্দর ঘরের হুজুরায় বসলেন। হযরত বাবা ভাণ্ডারী কেবলা কাবা মাতৃগর্ভে থাকা অবস্থায় বাবা ভাণ্ডারীর মাতা সাহেবানি হযরত কেবলার কাছে দোয়ার জন্য গেলে তিনি বলে উঠলেন, “তোম পীরানে পীরকা মা হো” অর্থাৎ, তুমি পীরানে পীর ছাহেবের মা’। হযরত কেবলার জবানে পাকের এই বানী কর্তৃক বেলায়তের অতি উচ্চ স্তরে বাবাভান্ডারীকে অধিষ্ঠিত করার ইঙ্গিত বহন করেছিল। অতএব তিনি যখন দুনিয়াতে আগমন করলেন, বাবা ভাণ্ডারীর শুভ বেলাদতের সপ্তম দিবসে আক্বিকার পবিত্র অনুষ্ঠান মালা শেষে বাবা ভান্ডারীর আব্বাজান শাহ সুফি মাওলানা ছৈয়দ আবদুল করিম আল হাসানী আল মাইজভাণ্ডারী (রঃ) নতুন সুবাসিত কাপড়ে জড়িয়ে স্বীয় নূরের পুতুলকে নিয়ে হাজির হলেন আপন বড় ভাই হযরত কেবলার দরবারে। হযরত আকদছ নবাগত শিশু বাবা ভান্ডারীকে প্রথম দেখাতে কোলে তুলে নিলেন এবং নূরানী চেহারা মোবারক দেখে হযরত কেবলা জজবাহালে বলতে লাগলেন, “ইয়ে হামারে বাগকা গোলে গোলাব হ্যায়, হযরত ইউছুফ আলাইহিস সালাম কা চেহারা ইছমে আয়া হ্যায়, উছকো আজিজ রাখহো, মাইনে উছকো নাম গোলামুর রহমান রাখহা”, অর্থাৎ এ শিশু আমার বাগানের শ্রেষ্ঠ গোলাপ ফুল। হযরত ইউছুফ (আঃ) এর রূপ তার মধ্যে বিকশিত, তাকে যত্ন করবে, আমি তার নাম রাখলাম গোলামুর রহমান। জন্মের পর থেকে শিশু,কিশোর ,যৌবনকাল কোন কালেই তাকে দুনিয়ার মোহমায়া আকৃষ্ট করতে পারেনি সবকিছুতেই যিনি তাকে আকৃষ্ট করে মায়ার জালে আবদ্ধ করে রেখেছিলেন তিনি হলেন হযরত আকদছ শাহ আহম্মদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ)। হযরত কেবলা বাবা ভাণ্ডারীকে এত বেশি ভালোবাসতেন যেন একজন আরেকজনকে না দেখে থাকতে পারতেন না। যার ফলশ্রুতিতে তিনি হযরত কেবলার কদমে টানা তিন বৎসর কঠিন রিয়াজতে মশগুল ছিলেন। এক পর্যায়ে বাবা ভাণ্ডারীকে হযরতের চক্ষুর অন্তরালে করতে না পারায়, হযরতের সহধর্মিণীর কিছু পরামর্শ শুনে তিনি ১২ বছর চট্টগ্রামের বিভিন্ন বন,জঙ্গল, পাহাড়, নদী সাগরে সফরে বহু কারামত ও ঘুমিয়ে থাকা অসংখ্য অলি-আউলিয়ার মাজারকে রওশন স্থান শনাক্ত করে দিয়ে ১৯০৫ ইং সনে মাইজভাণ্ডার গ্রামে ফিরে আসেন। ১৯০৬ সালে হযরত আকদছ এর বেছালের পর দরবারের দায়িত্ব পালন করেন।
গাউছুল আজম বাবা ভান্ডারীর শানে ইমামে আহলে সুন্নাত মোজাদ্দেদে দ্বীন-মিল্লাত আল্লামা গাজী আজিজুল হক শেরে বাংলা আল কাদেরী (রঃ) উনার বিখ্যাত দিওয়ানে আজীজ শরীফে উল্লেখ করেছেন- “ছদ মারহাবা ছদ মারহাবা, গাউছুল আজম পয়দা হুয়ে, শাহীন শাহে মাইজভাণ্ডারী বাবা রহমান পঁয়দা হুয়ে”। (ভাবার্থ) শত স্বাগতম, শত মুবারকবাদ, শত ধন্যবাদ, স্বাগতম। দ্বিতীয় গাউছুল আজম শাহ গোলামুর রহমান রাহমাতুল্লাহি তা’ আলা আলায়হিকে। তিনি বাবাজান ক্বেবলা খেতাবে প্রসিদ্ধ। নিঃ সন্দেহে তিনি ওই শাহ আহমাদুল্লাহ রাহমাতুল্লাহি তা ’আলা আলায়হির বাগানে এক বিশেষ ফুল। এই ফুলের খুশবু সারা দুনিয়ার মানুষকে দিওয়ানা করে ছেড়েছে। তাই সত্যিই আজ যার আলোতে গোটা দুনিয়া আলোকিত এবং যার খুশবুতে দুনিয়াবাসী আজ মাতোয়ারা। তিনি এমন এক জন জাতে পাক ও মাদারজাদ অলি, যিনি দুনিয়ায় ভূমিষ্ট হওয়ার পর পর আজানের ধ্বনি ও হযরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর নাম মোবারক শোনার সাথে সাথে উনার হাত মোবারক দুই চক্ষুতে লাগিয়ে চুম্মন করেন যা জন্মের পর খুব আশ্চর্যজনক বেলায়তী ক্ষমতা।
গাউছুল আজম বাবা ভান্ডারী দশ বছর বয়স হতেই নামাজ, রোজা, কোরআন তেলোয়াত ইত্যাদি শরীয়াহ ইবাদত সম্পন্ন করার পর যে কাজটি বেশি পছন্দ করতেন তা হল হযরত কেবলার খেদমতে দাখিল হওয়া, হযরতের এক মুহূর্তও সান্নিধ্য না থাকলে তিনি অস্থির হয়ে উঠতেন। যেন হযরত আর বাবাজান দুইয়ে মিলে একাকার। জাগতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞান অর্জন করার চেয়েও তিনি হযরত কেবলার আধ্যাত্ম বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্ঞান অর্জন করা শ্রেষ্ঠ মনে করতেন। অপর দিকে হযরত গাউছুল আজম সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারী (কঃ) ও চেয়েছিলেন তার বাগানের শ্রেষ্ঠতম গোলাপ বাবা ভান্ডারী প্রাতিষ্ঠানিক লেখা-পড়ার পর্ব শেষে পরিপূর্ণ ভাবে তার আধ্যাত্মিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে যাক। তাই জমাতে উলা শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষা দেবার অনুমতি চাইলে হযরত আক্দছ বলেছিলেন। হ্যাঁ বাচা তাহার এমতেহান হইয়া গিয়াছে। আমি তাহাকে নাজিরহাট আশরাফ খলিফার দোকানে খাইয়্যা মসজিদে থাকতে বলি, পরবর্তীতে অনুমতি নিয়া পরীক্ষা দিতে গেলেও দুটো পরীক্ষা দেওয়ার পর তার পক্ষে আর পরীক্ষার হলে থাকা সম্ভব হলো না। প্রেমাস্পদের প্রেমের টানে ফিরে আসতে হলো মাইজভান্ডার দরবার শরীফ। দরবার শরীফে এসে হযরত কেবলার পদযুগল ধরে কাঁদতে লাগলেন। হযরত কেবলা নিজ হাতে শরবত পান করালেন। তিনি জজবা হালত হতে সুলকীয়ত হালে ফিরে আসলেন এবং সেদিন হতে সব কিছু ছেড়ে দিয়ে শুধু হযরত কেবলার খেতদমত করা এবং ইবাদত, রিয়াজতে, মশগুল হয়ে পড়লেন। আর সে দিনে হতে যে কেউ তাকে লেখাপড়া করতে বললে, তিনি তাদেরকে বলতেন শত কিতাবের পাতা আগুনে নিক্ষেপ করে জ্বালিয়ে দাও। নিজ চেহারা বা মনকে প্রিয়তম খোদা তালার দিকে রজু করে দাও।।
হযরত আকদছ (কঃ)’র সান্নিধ্যে থেকে হযরত বাবা ভান্ডারী সর্বোচ্চ বেলায়তী ক্ষমতা অর্জনে সমর্থ হন, ছোট বেলা থেকে হযরত গোলামুর রহমান বাবা ভান্ডারী গভীর ধ্যানে নিমগ্ন থাকতেন, হযরত বাবা ভান্ডারী যখন মাঠে গরু ছাগল চড়াতে যেতেন তখন তিনি সেগুলোকে বলতেন কারো ফসল নষ্ট করিস না। হযরত বাবা ভান্ডারীর এ নির্দেশ গরু-ছাগল অক্ষরে অক্ষরে পালন করত। কারো ফসলে মুখ, দিত না। পশু পাখিরা তার কথা শুনত। তিনি খুব অল্পভাষী ও নিবর ছিলেন। এটা নিঃসন্দেহে হযরত বাবা ভান্ডারীর শ্রেষ্ঠ বেলায়তী ক্ষমতার অর্জনের নির্দশন ও বহিঃপ্রকাশ। তাছাড়া বাবা ভাণ্ডারী কেবলায়ে আলমের একটা মহান বেলায়তী বাণী হলো- তিনি বললেন, “আমি খোদার গুণে গুণান্বিত, তাই প্রকৃতির মত নিরব ও উদার”। রমেশ ফকির মাইজভাণ্ডারীর কালামেও আছে, ” বাবা মুখে নাহি কথা বলে টেলি চালায় দিলে দিলে”। তিনি এমন এক উচ্চ মার্গীয় বেলায়তি ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি,তিনি রমেশ শীলের হৃদয়ে প্রবেশ করে আধ্যাত্মিক জবান জবান খুলে দিয়েছেন। যার অলৌকিক ক্ষমতা বলে এই সাধারণ অল্প শিক্ষিত রমেশ শীল অসংখ্য মাইজভাণ্ডারী কালাম লিখে গিয়েছেন যার গানের মধ্যে শরিয়ত,তরিকত,হাকত মারফের সংশ্রিণ। যার গানের প্রতিটি শব্দ এখন গবেষণার কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে। অথচ তিনি ইসলামী শিক্ষায় দীক্ষিত না হয়েও বাবা ভাণ্ডারী ফয়ুজাতে তার গানের কলিতে আরবি,ফারসি,উর্দুর ন্যায় শব্দ মিলে। তিনি বাবা ভাণ্ডারীর প্রমে এমন ফানা হয়ে গিয়েছে কালক্রমে তিনি রমেশ শীল থেকে রমেশ ফকির লাভ করেছে।
হযরত গাউছুল আজম গোলামুর রহমান বাবা ভান্ডারী (১৮৬৫-১৯৩৭ খৃঃ) হলেন মাইজভান্ডারী তরিকার দ্বিতীয় গাউছুল আজম ও বিখ্যাত ছুফি সাধক। বিভিন্ন লেখকের লেখায় জানা যায়, এ ছুফি তরিকা তার জীবদ্দশায়ই লোক সমাজে দ্রুত পরিচিতি লাভ করে। তিনি হলেন মাইজভান্ডারী তরিকার প্রতিষ্ঠাতা রাসূলে পাক (সাঃ) এর তাজধারী গাউছুল আজম হযরত শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভান্ডারীর ছুফি ধারার উত্তরসূরী ও ভ্রাতুষ্পুত্র। পারিবারিক নাম সৈয়দ গোলামুর রহমান হলেও তিনি বাবা ভান্ডারী নামেই বহুল পরিচিত। কারণ বাবাভান্ডারী বলতে বলেছেন তার স্বীয় পীর হযরত আকদছ নিজেই। তিনি বলেছেন সে আমারো বাবা জগতেরও বাবা। তাই সবাই তাকে বাবা ভাণ্ডারী নামে সম্বোধন করে ডাকতেন।
তিনি ১২৭০ বঙ্গাব্দের ২৭শে আশ্বিন মোতাবেক ১৮৬৫ খৃষ্টাব্দের ১৪ই অক্টোবর, ১২৮৪ হিজরী ১২ই জমাদিউস সানী সোমবার ভোর বেলায় মাইজভাণ্ডার শরীফে সম্ভ্রান্ত সৈয়দ পরিবারে হযরত সৈয়দ আব্দুল করিম শাহ আল মাইজভাণ্ডারী ও আম্মাজান সৈয়দা মোশাররফ জানের ঘর আলোকিত করে জন্ম গ্রহণ করেন । ছয় ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়।
তিনি বাল্যকাল নিজ গ্রামে অতিবাহিত করেন। তারপর ১২৯৯ হিজরীতে চট্টগ্রাম শহরের মোহছেনিয়া মাদ্রাসায় এবতেদায়ী শ্রেণীতে ভর্তি হন। যেটা বর্তমান মুহসিন কলেজ নামে পরিচিত। দুই বছর পর ১৮৮২ খৃষ্টাব্দ হতে তিন বছর ফটিকছড়ির বড় বিবির হাটস্থ এক মাদ্রাসায় অধ্যয়ন করে পুণরায় ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দে মোহছেনিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। উক্ত মাদ্রাসায় তিনি জামায়াতে আউয়াল পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন।
হযরত গাউছুল আজম বাবা ভাণ্ডারীর পুর্ব পুরুষ আওলাদে রসূল (সাঃ) বড়পীর আব্দুল কাদের জিলানীর বংশধর সৈয়দ হামিদ উদ্দিন বোগদাদি (রঃ) ভারত উপমহাদেশের দিল্লী শহরে তাশরীফ আনেন। এখানকার আবহাওয়া তাদের অনূকূলে না হওয়ায় কিছু সময় পর সৈয়দ পরিবারটি তৎকালীন বাংলার রাজধানী গৌড় নগরে বসতি স্থাপন করেন ও গৌড় নগরে ইমাম এবং কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন, গৌড় নগরে বসন্ত রোগ মহামারীর কারণে ১৫৭৫ সনে চট্টগ্রামের পটিয়া থানার অন্তর্গত চক্রশালার কাঞ্চন নগরে বসতি স্হাপন করেন। তথায় তাঁর নামানুসারে হামিদ গাঁও নামে একটি গ্রাম আছে, বর্তমানে যেটা হাইদগাঁও নামে পরিচিত। তাঁর এক পু্ত্র সৈয়দ আব্দুল কাদের শাহ ফটিকছড়ি থানার আজিমনগর গ্রামে মসজিদের ইমামতি উপলক্ষে এসে বসতি স্হাপন করেন। তাঁর পুত্র সৈয়দ আতাউল্লাহ শাহ, তৎপুত্র সৈয়দ তৈয়ব উল্লাহ শাহ স্থায়ীভাবে আজিম নগরে ইমামতির দায়িত্ব পালন করেন। তার মেজ় পুত্র হযরত সৈয়দ মতিউল্লাহ শাহ মাইজভাণ্ডার গ্রামে স্থায়ীভাবে এসে বসতি স্হাপন করেন। সেখানে তার ঔরসে তার প্রথম শাহজাদা গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (কঃ) ও তৃতীয় পুত্র শাহজাদা হযরত সৈয়দ আব্দুল করিম শাহ আল মাইজভাণ্ডারীর কোল আলোকিত করে এই ধরাধামে বেলায়তের ঝাণ্ডা হাতে নিয়ে ভূমিষ্ট হলেন গাউছুল আজম সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবা ভাণ্ডারী (কঃ)।
বাবা ভান্ডারী ৭১ বছর ছয় মাস বয়সে ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের ২২শে চৈত্র মোতাবেক ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের ৫ই এপ্রিল, ১৩৪৬ হিজরীর ২২শে মহররম সোমবার সকাল ৭ঃ৫৫ মিনিটে ভাণ্ডার শরীফে পরিবার পরিজন ও ভক্ত মুরিদানকে শোক সাগরে ভাসিয়ে মওলার দিদারে পরলোক গমন করেন।
৫ই এপ্রিল ২২ শে চৈত্র ২০২৬ ইং রবিবার গাউছুল আজম, শাহে-দো আলম, সিরাজুছ সালেকীন, রুহুল আশেকীন, ইউছুফে ছানী,জামালে মোস্তফা, সৈয়দেনা, মোর্শেদেনা হযরত শাহসূফী সৈয়দ গোলামুর রহমান প্রকাশ বাবা ভাণ্ডারী কেবলা কাবার ৯০ তম বার্ষিক ওরস শরীফ মাইজভাণ্ডার শরীফে মহাসমারোহে গাউছিয়া রহমান মঞ্জিল ও সকল মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। হে কায়েনাতের মালিক তুমি আমাদেরকে এই মহান হাস্তীর ফয়ুজাত দান করুন এবং উনার উছিলায় আমাদের পরিবার-পরিজন ও দেশকে সকল বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করুন।
এস.এম.মাঈন উদ্দীন রুবেল
লেখক,প্রাবন্ধিক ও ব্যাংকার