বাংলাদেশ, শুক্রবার, ২২ জানুয়ারী ২০২১ ৮ই মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম

চালের ঘাটতি নেই, বাজার অস্থির করার চেষ্টায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ও সিণ্ডিকেট


প্রকাশের সময় :২১ নভেম্বর, ২০১৯ ৩:২৪ : পূর্বাহ্ণ

নিউজ-ডেস্ক:

পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করলেও এবার অস্থির হয়ে উঠছে চালের বাজার। তিন থেকে চার দিনের ব্যবধানে রাজধানীতে সব ধরনের চালের দাম কেজি প্রতি ৫ থেকে ৭ টাকা বড়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহের ঘাটতির কারণে দাম বেড়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, চালের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, দাম বাড়ার কোনও কারণ নেই।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) দেশে মোট চাল উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন। বছরে দেশে চালের চাহিদা ২ কোটি ৮৪ লাখ ১৬ হাজার ৭১০ মেট্রিক টন। প্রতিজনের জন্য চাহিদা ৪৬৯ গ্রাম। সেই হিসাবে দেশে পর্যাপ্ত চালের মজুত আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পরিবহন ধর্মঘটের দোহাই দিয়ে চাল ব্যবসায়ীরা অনৈতিক মুনাফার দিকে ঝুঁকছে। তারা যেকোনও উপায়ে সুযোগ নিতে চাই। এ কারণে সরকার যখন পেঁয়াজ নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে উঠেছে, ঠিক সেই সময়ে গুজব ছড়িয়ে লবণের বাজারকে অস্থির করার ষড়যন্ত্রে মেতেছিল এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপে সেই পরিস্থিতি কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সামলে উঠতে না উঠতেই আবার চালের বাজারকে অস্থির করার ষড়যন্ত্রে মেতেছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ পরিবর্তেনের দাবিতে শুরু হওয়া ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটকে পুঁজি বানিয়ে চালের বাজারকে অস্থির করে তুলতে চায়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, ট্রাক না চলার কারণে চালের মোকাম হিসেবে খ্যাত—নাটোর, জয়পুরহাট, নওগাঁ ও কুষ্টিয়া থেকে চাল রাজধানীতে আসতে পারেনি। এতে রাজধানীর চালের বাজারে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

এদিকে, খাদ্যমন্ত্রী সাধান চন্দ্র মজুমদার চাল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পরিবহন ধর্মঘট ১০ দিন চললেও চালের বাজারে প্রভাব পড়বে না। দেশের বাজারে চালের পর্যাপ্ত মজুত আছে। কেউ কারসাজি না করলে দাম বাড়ার কোনও কারণ নেই।

ট্যাগ :