মোস্টবেট বাংলাদেশের সেরা বুকমেকার। স্পোর্টস বেটিং, অনলাইন ক্যাসিনো সকলের জন্য সীমাবদ্ধতা ছাড়াই উপলব্ধ, এবং একটি ব্যাঙ্ক কার্ডে Mostbet withdrawal সম্ভব!
Türkiye'nin en iyi bahis şirketi Mostbet'tir: https://mostbet.info.tr/

বাংলাদেশ, রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪ ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে রাতেই আসছে শতাধিক টন ভারতীয় পেঁয়াজ


প্রকাশের সময় :৬ জুন, ২০২৩ ২:৩৯ : অপরাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে মঙ্গলবার রাতেই আসছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ। শতাধিক টন পেঁয়াজ নিয়ে বেশ কয়েকটি ট্রাক এখন চট্টগ্রামের পথে। বুধবার (৭ জুন) থেকেই এসব ভারতীয় পেঁয়াজ খাতুনগঞ্জের পাইকারি বাজারে বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে পেঁয়াজ আসার খবরে খাতুনগঞ্জে দেশি পেয়াজ বিক্রী কমে গেছে। দাম কমে যাওয়ার শঙ্কায় খুচরা ব্যবসায়ীরা দেশি পেঁয়াজ আর ক্রয় করছে না বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিষয়টি স্বীকারও করেছেন চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন হাট-বাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশি পেঁয়াজের দাম এখনো চড়া। মঙ্গলবার সকালেও প্রতিকেজি দেশি পেঁয়াজ পাইকারি হিসেবে ৭৫-৮০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। তবে প্রায় পচে যাওয়া পেঁয়াজ বিক্রয় হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ কেজি দরে। এ অবস্থায় বুধবার ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রয় শুরু হলে তা ৪০-৪৫ টাকার উপরে বিক্রয় হবে না। এতে দেশি পেঁয়াজ আর কেউ কিনবে না। তাই লোকসানের ভয়ে কেউ দেশি পেঁয়াজ কিনছে না।

খাতুনগঞ্জ আড়তদার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম বলেন, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজবাহী ৭টি ট্রাক ভোমরা বন্দর থেকে এখন চট্টগ্রামের পথে। প্রতিটি ট্রাকে ১৪-১৫ টন করে পেঁয়াজ রয়েছে। এসব পেঁয়াজ রাতেই আনলোড হবে। বুধবার সকাল থেকে এসব পেঁয়াজ বিক্রয় শুরু হবে। এতে পেঁয়াজের দাম অর্ধেক কমে যাবে।

তিনি বলেন, প্রথম দিন হিসেবে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয় হতে পারে। তবে এরপর প্রতিদিন নিয়মিত পেঁয়াজ আসলে দাম আরও কমে যাবে। পেঁয়াজ যতই বেশি ঢুকবে ততই দাম কমে আসবে।

এ ব্যবসায়ী আরও বলেন, দেশি পেঁয়াজ তেমন খাতুনগঞ্জে বিক্রি হচ্ছে না। ক্রেতারা অপেক্ষায় আছেন ভারতীয় পেঁয়াজের জন্য। চট্টগ্রামে এমনিতেই দেশি পেঁয়াজের চাহিদা কম। কেননা সেগুলো ছোট আকারের। এখানে বড় আকারের ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা বেশি। ভারতের পেঁয়াজ আসার পর দেশি পেঁয়াজের দাম আরও কমে যাবে।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত রমজানের সময় পেঁয়াজের দাম কেজি প্রতি ৩২ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে ছিল। গত ৩ মে তা ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ১৮ মে কেজিপ্রতি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৭৫ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ ১৫ দিনের ব্যবধানে খাতুনগঞ্জে পাইকারিতে কেজিপ্রতি পেঁয়াজের দাম ৩৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সর্বশেষ ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয় পেঁয়াজ। তখন খুচরা বাজারে বিক্রয় ১০০ টাকা কেজি দরে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্যমতে, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন হয়েছে ২৩ লাখ ৩০ হাজার টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬ লাখ ৪১ হাজার টন। এই হিসাবে তিন বছরের ব্যবধানে পেঁয়াজের ১৩ লাখ ১১ হাজার টন উৎপাদন বেড়েছে। এছাড়া দেশে পেঁয়াজের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩০ লাখ টন। সে অনুযায়ী চাহিদার চেয়েও প্রায় ৬ লাখ টন বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। পাশাপাশি ভারত ও মিয়ানমার থেকে কম বেশি সারাবছরই পেঁয়াজ আমদানি হয়। এরপরও পণ্যটির দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে। ফলে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার।

খাতুনগঞ্জের হামিদুল্লাহ মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিস বলেন, পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আমদানির অনুমতির কোনো বিকল্প নেই, এ কথা আমি আগেই বলেছিলাম। আমদানি করা প্রায় শতাধিক টন পেঁয়াজ রাতেই খাতুনগঞ্জে এসে পৌছাবে। আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতিকেজি ৩০ টাকা খরচ পড়বে। বুধবার সকাল থেকে পেঁয়াজের অর্ধেক দাম কমে যাবে। এরপর পেঁয়াজ যতই আসবে ততই দাম কমবে।

ট্যাগ :