বাংলাদেশ, শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২ ২৮শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

অস্ট্রেলিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনিকে শেখ হাসিনার অভিনন্দন


প্রকাশের সময় :২২ মে, ২০২২ ৭:৩৮ : পূর্বাহ্ণ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

অস্ট্রেলিয়ার নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজকে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ‘১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সফরে আসা প্রধানমন্ত্রী গফ হুইটলামের পরে দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বর্তমান বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার সুবিধামতো সময়ে আমাদের দেশে ঘুরে যাবেন।’ অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল নির্বাচনে অ্যান্থনি নরম্যান আলবানিজের নেতৃত্বাধীন দল লেবার পার্টি জয়লাভ করায় বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ সফরে আলবানিজকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। নির্বাচনে দলটির সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়ে রোববার বার্তা পাঠান সরকারপ্রধান। এ দিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।

দেশটির অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, শান্তি এবং সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে যেতে এই জয়কে অ্যান্থনি আলবানিজের নেতৃত্বের প্রতি অস্ট্রেলিয়ার জনগণের অগাধ আস্থার প্রতিফলন বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

১৯৭৫ সালে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশ সফরে আসেন গফ হুইটলাম। সে প্রসঙ্গ ধরে আলবানিজকে বাংলাদেশ সফরে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমি আন্তরিকভাবে আশা করি, ‘১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সফরে আসা প্রধানমন্ত্রী গফ হুইটলামের পরে দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান প্রধানমন্ত্রী হিসাবে বর্তমান বাংলাদেশের সক্ষমতা দেখতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আপনার সুবিধামতো সময়ে আমাদের দেশে ঘুরে যাবেন।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই ধরনের উচ্চ পর্যায়ের যোগাযোগ আমাদের বন্ধুত্বের বিরাজমান বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে এবং দ্বিপাক্ষিক স্বার্থ এবং সমসাময়িক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সমস্যাগুলোর বিষয়ে একটি সাধারণ বোঝাপড়া তৈরি করতে সাহায্য করবে।’

অভিনন্দন বার্তায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রতি অস্ট্রেলিয়ার সমর্থন এবং কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে সহায়তার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন সরকারপ্রধান।

তিনি বলেন, ‘বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর ও মজবুত হয়েছে। ক্লিন এনার্জি, মেরিটাইম সিকিউরিটি, ওসান গভর্নেন্স এবং ব্লু ইকোনমিতে আমাদের সহযোগিতার অপার সম্ভাবনা রয়েছে।’

দুই দেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ বছর পালন করছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পারস্পরিক স্বার্থ, আন্তঃনির্ভরতার নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার সুযোগ আমাদের রয়েছে, যা অংশীদারত্বমূলক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেবে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা ও আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা রক্ষায় আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।’

ট্যাগ :