বাংলাদেশ, শনিবার, ২০ আগস্ট ২০২২ ৫ই ভাদ্র, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে সৈকত ও হোটেল থেকে দুইদিনে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার


প্রকাশের সময় :১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ৪:০৩ : অপরাহ্ণ

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত ও হোটেল থেকে দুইদিনে ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সমুদ্র সৈকতের নাজিরারটেক থেকে আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এরআগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর সমুদ্র সৈকত থেকে ২ জনের এবং সৈকত সংলগ্ন কলাতলী বে ওয়ান ডাচ হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আরও এক জনের মরদেহ। নিহতদের মধ্যে তিনজন পর্যটক ও একজন স্থানীয়। দুইদিনে ৪ জনের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় পর্যটকসহ স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে ।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সমুদ্রসৈকতের নাজিরারটেক থেকে এক অজ্ঞাতনামা যুবকের (৩৫) মরদেহ।

গেল ২৪ ঘণ্টায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মরদেহ ভেসে এসেছে। তাদের মধ্যে দুজন পর্যটক ও একজন স্থানীয়। ঠিক কখন তারা গোসলে নেমেছিলেন, তার কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহতদের মধ্যে শহরের কলাতলীর চন্দ্রিমা এলাকার আবুল কালামের ছেলে মোহাম্মদ ইমন (১৭) ও যশোরের কোতোয়ালি থানা এলাকার আসাদুজ্জামানের ছেলে নাফিক ঐশিক (২৫) পরিচয় মিললেও পরে শনিবার উদ্ধার হওয়া যুবকের পরিচয় এখনো মেলেনি।

সৈকতে থাকা সেচ্ছাসেবীরা জানান, গেল শুক্রবার (১৭ সেপ্টম্বর) দুপুর ও বিকেলে সৈকতের সি-গাল পয়েন্টে দুই যুবকের মরদেহ ভেসে আসে। তাদের একজন স্থানীয় ও একজন পর্যটক, যিনি যশোর থেকে এসেছেন। তার সঙ্গী একজন নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার ভেসে আসা লাশ নিখোঁজ যুবকের হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (পর্যটন সেল) মুরাদ ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে বিচকর্মীরা মরদেহ উদ্ধার করেন। গত শুক্রবার একজনের মরদেহ পাওয়ার পর তারা জানান যে তাদের আরেকজন নিখোঁজ ছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে হয়তো তার মরদেহ ভেসে এসেছে।

এদিকে, শুক্রবার বিকেলে কলাতলী এলাকায় বে ওয়ান ডাচ হোটেল থেকে রাফসানুল হক (৩২) নামে এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার হয়। পরে তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। হোটেল রেজিস্ট্রারে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তার বাড়ি চট্টগ্রামের এনায়েত বাজার এলাকায়। তার বাবার নাম সৈয়দুল হক। কী কারণে এ পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে, ময়না তদন্তের মাধ্যমে জানা যাবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার পুলিশ প্রশাসন।

এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে তৌনিক মকবুল (২৩) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তৌনিক ঢাকার শ্যামলীর আদাবর এলাকার বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ট্যাগ :