মোস্টবেট বাংলাদেশের সেরা বুকমেকার। স্পোর্টস বেটিং, অনলাইন ক্যাসিনো সকলের জন্য সীমাবদ্ধতা ছাড়াই উপলব্ধ, এবং একটি ব্যাঙ্ক কার্ডে Mostbet withdrawal সম্ভব!
Türkiye'nin en iyi bahis şirketi Mostbet'tir: https://mostbet.info.tr/

বাংলাদেশ, রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪ ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জনগণের ভোট চুরি করে কেউ ক্ষমতায় টিকতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


প্রকাশের সময় :১৫ জুন, ২০২৪ ৯:২২ : পূর্বাহ্ণ

স্টাফ রিপোর্টার:

জনগণের ভোট চুরি করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘ভোট চুরি হয় ৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে। সেই নির্বাচনে খালেদা জিয়া ভোট চুরি করে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করে। মাত্র ২২ পার্সেন্ট ভোট পড়েছিল সেখানে। কোনো প্রতিপক্ষ ছিল না। জনগণের ভোট চুরি করলে কেউ কিন্তু ক্ষমতায় থাকতে পারে না। বাংলাদেশের জনগণ এই ব্যাপারে খুব সচেতন।’

শনিবার (১৫ জুন) সকালে গণভবনে কৃষক লীগের আয়োজনে আষাঢ় মাসের প্রথম দিনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধনের আগে বক্তব্য দিচ্ছিলেন শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগসহ বেশির ভাগ বিরোধী রাজনৈতিক দলের বর্জনের মধ্যে ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি৷

সে সময় ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি ২৭৮টিতে জয়লাভ করে৷ মাত্র চার কার্যদিবস সংসদ বসার পর তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। তার আগে সেই সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হয়।

এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬টি, বিএনপি ১১৬টি এবং জাতীয় পার্টি ৩২টি আসনে জয়লাভ করে৷পরে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ২১ বছর পর সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ৷

 
২০০৮ সাল থেকে টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠন করা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, “১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের খালেদা জিয়া দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেছে বলে বিরাট গর্ব ছিল, কিন্তু কী দেখা গেল? জনগণের আন্দোলনের মুখে তাকে ৩০ মার্চ তাকে ক্ষমতা ছেড়ে চলে যেতে হল। অর্থাৎ ভোট চুরির অপরাধেই কিন্তু তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।”

 
বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ক্ষমতা দখলকারীরা মানুষের ভাগ্য নিয়ে ‘ছিনিমিনি খেলার’ পাশাপাশি দেশের গণতান্ত্রিক ধারাকেও ধ্বংস করেছে বলে মন্তব্য করেন সরকারপ্রধান।

 
তিনি বলেন, “আজকে যারা ভোটের অধিকারে কথা বলে, যখন দেখি বিএনপি নির্বাচনের কথা বলে, আমার খুব হাসি পায়। জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে এই দেশের সমস্ত মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিল।

 
“সেই হ্যাঁ/না ভোট দিয়ে যাত্রা শুরু, অবৈধ ক্ষমতাকে বৈধ করার জন্য। আবার একাধারে সেনাপ্রধান এবং নিজেকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজেকে ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনি প্রহসন করে।”

 
পঁচাত্তরের ১৫ অগাস্টের পর জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে পরবর্তীতে অন্যদের সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, “মসনদে বসেই দল গঠন, ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দিয়ে যে দলটি গঠন করে- তাকে আবার জিতিয়ে আনার জন্য ভোট চুরির একটা প্রক্রিয়া এই দেশে শুরু করেছিল। আবার জিয়াউর রহমানের পরে তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে যখন ক্ষমতায় এরশাদ আসে, তখনই এ দেশের জনগণের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়।”

 
শেখ হাসিনা বলেন, “এই দেশের কৃষক শ্রমিকরা সব সময়ই অবহেলিত থেকে গিয়েছিল। এরপর আসলো খালেদা জিয়া, খালেদা জিয়া আসার পর দেখা গেল শুধু জনগণের ভোট চুরিই না, এদেশের কৃষকের ভাগ্য নিয়েও ছিনিমিনি খেলা চলছে, সার পাওয়া যাচ্ছে না। কৃষকরা আন্দোলন করেছে, আন্দোলনের পরে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়।”

ট্যাগ :